পাশের বাড়ির কাকিমা
আমার নাম ভোলা। আমি আমার মা আর বাবার সঙ্গে গ্রামে থাকি। আমার বয়স এখন ২০ বছর। আমি কলেজে পড়ি। বাড়িতে […]
পাশের বাড়ির কাকিমা Read More »
এই গল্পগুলোতে আছে প্রেম, লুকোনো ইচ্ছে, আর নিষিদ্ধ আবেগের টানাপোড়েন।
আমার নাম ভোলা। আমি আমার মা আর বাবার সঙ্গে গ্রামে থাকি। আমার বয়স এখন ২০ বছর। আমি কলেজে পড়ি। বাড়িতে […]
পাশের বাড়ির কাকিমা Read More »
গঙ্গার কাকা মিলিটারিতে চাকরি করতেন আসামে ৷ গঙ্গার মা বাবা চা বাগানেই কাজ করেন , আর তাদের অল্প পয়সায় গঙ্গাকে
আমার নাম সাজিদ। আমার ঘর ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার একটি গ্রামে। আমাদের পরিবারের মূল জীবিকা হল চাষ আবাদ। আমাদের এলাকাতে
হঠাৎ করেই কয়েক দিনের ছুটি নিয়ে বাড়ি এলাম। তখনো লকডাউনের ঘন্টা বাজেনি। মায়ের হাতের খাবার খেয়ে রাতে আমার বেডরুমে শুতে
আমার বয়স যখন * তখন আমার কাকাতো বোন তুলি জন্মায়। কাকা থাকতেন সৌদিতে। আমরা থাকতাম আমার দাদা-দাদির সাথে। আমার দাদার
ক্লাশ টেনে উঠার পরই মানিক ছেলে আর মেয়েতে মিলে কি কাজ হয় বাড়ির ঝি দৌলতে শিখে গেল। বিরাট বাড়িতে ঝিকে
তখন আমি বড় ক্লাস এ উঠে গাছি। বুবায়দাদার মাধ্হমিক শেষ হওয়ার জন্য বাড়িতেই বসে আছে। এই একটা বছর আমি নিজের
বিহারীর মাঠে বাবলুর মত বাবলুরা আড্ডা মারে৷ একটা ফাঁকা জায়গায় বসে বাবলু নিজে থেকেই বদ্রি আর চান্দুকে পল্টুদার দেওয়া ওষুধটা
আমার ঘুম টা একটু আগে ভাঙল। আমি চোখ খুললাম। আজ রবিবার, আজ আর আমাকে স্কুল যেতে হবে না।আমার মনে পরে
কাকলির বৈবাহিক জীবন খুব একটা দুঃখের ছিল না। বিয়ের দুবছর পরেই সে বাচ্চার মা হতে চলে। বাচ্চা হওয়ার পর কাকলির