একজন টিউটর
দুপুরে আমি আর রেখা আপার রুমে শুয়েছিলাম। রেখা তার জীবনের কাহিনী বলতে লাগল। একজন টিউটর এসে আমাকে পড়াতো। বিকেল বেলা […]
দুপুরে আমি আর রেখা আপার রুমে শুয়েছিলাম। রেখা তার জীবনের কাহিনী বলতে লাগল। একজন টিউটর এসে আমাকে পড়াতো। বিকেল বেলা […]
রঘু এত বড় ফ্লাট বাড়ি আগে দেখেনি গ্রাম থেকে এসেছে কাকার হাথ ধরে৷ অখিল গীতাঞ্জলি এনক্লেভে মালির কাজ করে এখানে
আমার বাবা আজ বিয়ে করছে। আমার সৎ মার নাম কামীনি। নাম যেমন স্বভাবও তেমন। আসছে একদিন হল, কিন্তু চোখে শুধু
সবকিছু অত্যন্ত তাড়াতাড়ি, প্রায় নিমেষের মধ্যে ঘটে যায় সেদিন| রাত্রির ঘুরঘুট্টি অন্ধকারে, রশিপুরের নির্জন রাস্তায় প্রায় নিঃশব্দে অন্ধকার চিড়ে চলে
অলক রায় একজন সফল ব্যবসায়ী।কলকাতার অনতিদূরে তার বাড়ী। বাড়িটি দোতলা।একতলায় দুটি ঘর,তাতে ছেলে আর মেয়ে থাকে।অলক বাবুর এক ছেলে আর
ওই লোকটা কে ? কেন ও এখানেআসে রোজ রাতে ? ছেলে অপুরপ্রশ্ন করে৷কণাদেবী বলেন,উনি তোরবাবার মৃত্যুর পর থকেআমাদের সাহায্যদাতা৷ তোর১২বছর
প্রতিশোধ বলা হলেও এটা কোন রেইপ ঘটনা না। এটা ছিলো সুযোগের সদ্বব্যবহার করা। প্রতিশোধটা ভিন্ন অর্থে। আমার বন্ধুটির নাম নয়ন।
মাজেদা বেগমের বাড়ী রসুলপুর গ্রামে। সাধারণ সাদামাটা গৃহস্ত ঘরের মেয়ে সে। লেখাপড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় পযৃন্তই শেষ। দেখতে বেশ সুন্দর। গায়ের
রবির বয়স তখন ১৮ যখন সে কমলা আর ওর স্বামীর সাথে ওদের গ্রামের বাড়িতে থাকতে আসে। রবির বাবা-মা দুজনেই একটা
আমার বন্ধু মনি তখন কলেজে ২য় বর্ষে পড়ে। তার পরিবারে তারা তিন জন অর্থাৎ মা, ছোট ভাই আর কাজের মাসি