দোলাচল
আজ অফিসে আমি কিছুতেই কাজে মনোনিবেশ করতে পারছিলাম না। শেষমেষ বিকেলে আমার বসকে গিয়ে অনুরোধ করতে উনি আমাকে ছুটি দিয়ে […]
আজ অফিসে আমি কিছুতেই কাজে মনোনিবেশ করতে পারছিলাম না। শেষমেষ বিকেলে আমার বসকে গিয়ে অনুরোধ করতে উনি আমাকে ছুটি দিয়ে […]
ডিনারের সময়ে রতন মাসীকে বলল, সামনে পুজো চল এই উইকেন্ডে শপিং করি তাহলে তোমার মুড ঠিক হয়ে যাবে। শনিবারে দুপুরের
প্রেম ভালোবাসা ও মাসী Read More »
আমার নাম সাজিদ। আমার ঘর ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার একটি গ্রামে। আমাদের পরিবারের মূল জীবিকা হল চাষ আবাদ। আমাদের এলাকাতে
আমাদের পাড়ায় ছেলেতে মেয়েতে বড়ই মাখা মাখি। গ্রামে আমাদের আড্ডা গুরু নায়েব ভাই। স্কুল না থাকলে সারাদিন তার ঘরে বসে
দুপুরে আমি আর রেখা আপার রুমে শুয়েছিলাম। রেখা তার জীবনের কাহিনী বলতে লাগল। একজন টিউটর এসে আমাকে পড়াতো। বিকেল বেলা
রঘু এত বড় ফ্লাট বাড়ি আগে দেখেনি গ্রাম থেকে এসেছে কাকার হাথ ধরে৷ অখিল গীতাঞ্জলি এনক্লেভে মালির কাজ করে এখানে
সবকিছু অত্যন্ত তাড়াতাড়ি, প্রায় নিমেষের মধ্যে ঘটে যায় সেদিন| রাত্রির ঘুরঘুট্টি অন্ধকারে, রশিপুরের নির্জন রাস্তায় প্রায় নিঃশব্দে অন্ধকার চিড়ে চলে
অলক রায় একজন সফল ব্যবসায়ী।কলকাতার অনতিদূরে তার বাড়ী। বাড়িটি দোতলা।একতলায় দুটি ঘর,তাতে ছেলে আর মেয়ে থাকে।অলক বাবুর এক ছেলে আর
প্রতিশোধ বলা হলেও এটা কোন রেইপ ঘটনা না। এটা ছিলো সুযোগের সদ্বব্যবহার করা। প্রতিশোধটা ভিন্ন অর্থে। আমার বন্ধুটির নাম নয়ন।
মাজেদা বেগমের বাড়ী রসুলপুর গ্রামে। সাধারণ সাদামাটা গৃহস্ত ঘরের মেয়ে সে। লেখাপড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় পযৃন্তই শেষ। দেখতে বেশ সুন্দর। গায়ের